বিয়ের নামে প্রেম প্রেম খেলা মা-মেয়ের

Tuesday, February 12th, 2019

 

সুমন খান (স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর প্রতিনিধি) স্বরূপকাঠীর সংগ্রীতকাঠী গ্রামে গৃহবধূর রিয়া ও তার মা আছিয়ার প্রতারনায় ফাঁদে তিন যুবক পথের ভিখারী। শুরু তাই নয় তার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা ঐ গ্রামের অন্য যুবকরাও। ইতিমধ্যে রিয়া ও তার মা আছিয়ার প্রতারনার শিকার হয়েছেন স্বরূপকাঠী অলংকারকাঠী গ্রামের দুলাল মিয়ার বড় ছেলে মেহেদী হাসান। পেশায় এক জন মটরসাইকেল চালক। গত ১২/৬/১৮ তারিখ পার্শ্ববর্তী গ্রামের আছিয়া বেগম ও তার মেঝ মেয়ে রিয়া তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী ও ঐ এলাকার কাজী মো: মাওঃ বেলায়েত হোসেনকে সাথে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে জোর পূর্বক ৭ লক্ষ টাকা দেনমোহর করে মেহেদীর সাথে বিয়ে দেন।

কিন্তু ঐ বিয়েতে মেহেদীর কোন ইচ্ছা না থাকলেও তাকে মারধর করে রিয়ার সাথে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের কিছু দিন পার হতে না হতেই রিয়া ও তার মা আছিয়া বেগম তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মেহেদীকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে দেনমোহরের নগদ ৭ লক্ষ টাকা অথবা মেহেদীর পত্তিক সম্পতি রিয়ার নামে লিখে দিতে বলেন। মেহেদী ও তার পরিবার তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্ত্রী রিয়া এবং তার মা আছিয়া বেগম পিরোজপুর আদালতে মেহেদীর বিরুদ্ধে ১০৭/১১৪/১১৭/ ধায়ায় একটি মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেহেদীর প্রথম স্ত্রী ও তার দুইটি সন্তার রয়েছে জেনেও পাশ্ববর্তী এলাকার আছিয়া বেগম তার মেয়ে বিয়ার সাথে জোর করে মেহেদীকে বিয়ে দেয় তার সম্পতি দখল করে নেওয়ার জন্য। শুধু তাই নয় আছিয়া বেগম স্থানীয় থানা পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে তার মেয়ে রিয়াকে দিয়ে বিভিন্ন যুবকের সাথে প্রতারনার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চেষ্টা চালায়। ইতি পূর্বে মেহেদী ছাড়াও রিয়ার আরো দু’টি বিয়ে রয়েছে। রিয়ার প্রথম স্বামী স্বরুপকাঠীর জগন্নাথকাঠীর বারেক সরদারের ছেলে রহমাত। তার কাছ থেকেও বিয়ের নামে প্রতারনা করে ৭লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার কিছু দিন পূর্বেই স্বরুপকাঠীর চৌদ্দরশী গ্রামের এমদাদুল সঙ্গে রিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। এমদাদুলের কাছ থেকেও মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালালে ব্যার্থ হয়ে রিয়ার নতুন ফাঁদে মেহেদীকে ফেলে বিয়ে করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে।

থানা পুলিশ, বিয়া ও তার মা আছিয়ার বেগমের অত্যাচার নির্যাতন সইতে না পেরে, মেহেদীর পরিবার বাড়ী ঘর ছেরে বর্তমানে বরিশালে অবস্থান করলে সেখানে গিয়েও তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। অন্যদিকে মেহেদীর পরিবারের অভিযোগ রিয়ার ও তার মায়ের অত্যাচার সইতে না পেরে মেহেদী তাদের ছেড়ে কোথায় চলে গেছেন তা কেউই যানেনা।

মেহেদীর পরিবার প্রশাসনের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক আইনগত সহযোগীতা চেয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন।